ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকায় দিনাজপুরের সুমাইয়া

0
13
ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকায় দিনাজপুরের সুমাইয়া

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের মেধাবী ছাত্রী সুমাইয়া খান খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি (গুচ্ছ) পরীক্ষার মেধাতালিকায় মেয়েদের মধ্যে দিনাজপুর জেলায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে সে।

ছোটবেলা থেকেই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার ইচ্ছাপ্রবণতা থাকায় ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বুটেক্স এ মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ হয়েও ভর্তি হয়নি সুমাইয়া। প্রকৌশলী হয়ে নতুন কিছু আবিস্কার করে দেশকে উপহার দেওয়ার ইচ্ছা আছে তার।

মেধাবী ওই ছাত্রী দিনাজপুর শহরের মির্জাপুর বাসটার্মিনাল এলাকার মো. শহিদুল ইসলাম খান ও শামা খান এর দুই মেয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। বাবা দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে কর্মরত আর মা একজন গৃহিণী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়া খান শৈশব থেকেই লেখাপড়ায় প্রচুর মনোযোগী। শহরের ঐতিহ্যবাহি কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ পায়। এরপর দিনাজপুর সরকারি কলেজ
থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় করোনার প্রাদুর্ভাবে অটোপাস হতে হয়। এই অটোপাসে দুই মার্কস কম থাকায় সে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বলে জানান তার বাবা।

গত ১৩ নভেম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথেই উত্তীর্ণ হয়েছে সে। এতে দিনাজপুর জেলায় মেয়েদের মধ্যে মেধাতালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করে। সুমাইয়া একজন ভালো প্রকৌশলী হতে চান। সেই সাথে নতুন কিছু আবিস্কার করে দেশকে উপহার দেওয়ার ইচ্ছা আছে তার। এ জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছে সে।

মেধাবী ওই শিক্ষার্থীর বাবা ও মা জানান, দুই সন্তানদের মধ্যে বড় মেয়ে সানজিদা খান নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ পড়ছে। আর ছোট মেয়ে সুমাইয়া খান এ বছর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশকৃতিত্বের সাথেই ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

এছাড়াও ছোটবেলা থেকেই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার ইচ্ছাপ্রবণ থাকায় ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বুটেক্স এ মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ হয়েও ভর্তি হয়নি সুমাইয়া। এমনকি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৬৫.৫০ নম্বর পেয়েও ভর্তির সুযোগ পায়নি সে।

তারা বলেন, ছোট বেলা থেকেই সে বইয়ের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। সেই সখ্যতায় নিজেকে গড়ে তুলতে থাকে সুমাইয়া। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত ক্লাসে শীর্ষস্থান ধরে রাখাটাই ছিল তার কাছে চ্যালেঞ্জ।

লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষামুলক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েও পেয়ে যেতো সেরার পুরস্কার। সুমাইয়ার বাবা-মা তাদের মেয়ের এই সাফল্যে স্কুল ও কলেজসহ কোচিং একাডেমির সকল শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here