ভুল প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে দুশ্চিন্তায় ২৩৭ শিক্ষার্থী

0
156
ভুল প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে দুশ্চিন্তায় ২৩৭ শিক্ষার্থী

ভুল প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে দুশ্চিন্তায় ২৩৭ শিক্ষার্থী। রাজশাহীতে মাদার বখ্শ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ কেন্দ্রে ভুল সেটের প্রশ্নে রসায়ন প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিয়েছেন ২৩৭ এইচএসসি পরীক্ষার্থী। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এইচএসসির রসায়ন প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই। যে পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করলে কোনও ক্ষতি হবে না তা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়েছে। ১৯৯ কেন্দ্রে দুই নম্বর সেটের ‘তারা’ নামের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। শুধু মাদার বখশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে চার নম্বর সেটের ‘তিমি’ নামের প্রশ্নপত্রে। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পরেই কলেজ কর্তৃপক্ষ সেটের এই গরমিল সম্পর্কে জানতে পারে। তখন শিক্ষা বোর্ডে জানানো হলে ওই সেটেই পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কেন্দ্র সচিব সালমা শাহাদাত জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে দুটি করে সেট পাঠানো হয়। কোন সেটে পরীক্ষা নেওয়া হবে তা পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়। এই পরীক্ষার ক্ষেত্রেও এসএমএস করা হয়েছে। কিন্তু ট্যাগ অফিসার হিসেবে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা চার নম্বর সেট বের করে দেন। কিন্তু ট্যাগ অফিসারকে দুই নম্বর সেটের বিষয়েই জানানো হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পর তারা ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর শিক্ষা বোর্ডে ফোন করে পরামর্শ চাওয়া হয়। বোর্ড ওই প্রশ্নেই পরীক্ষা নিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেয়। এখন চার নম্বর সেটেই পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য শিক্ষা বোর্ডে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে।

এদিকে, পরীক্ষার পর নাসির ওয়াহিদ নামের এক ব্যক্তি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে যান।

এ বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, প্রশ্নপত্রের সেট নিয়ে একটা ভুল হয়ে গেছে। তবে শিক্ষার্থীদের যেন ক্ষতি না হয়, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here