পরিবর্তন হচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা

0
40
শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা

পরিবর্তন হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কিত শিক্ষক নিয়োগ নীতিমাল-২০১৭। এ লক্ষ্যে রাবির সিন্ডিকেট সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান উল ইসলামকে সভাপতি ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালামকে সদস্য সচিব করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

২০১৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতিমালার মূল বৈশিষ্ট্য ছিল- অনার্স ও মাস্টার্সে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫প্রাপ্তদের মধ্যে শুধু প্রথম থেকে সপ্তম স্থান অধিকারীরা আবেদন করতে পারবেন।

কিন্তু ২০১৭ সালের ৭ মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই বছরই শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা-২০১৫ শিথিল করে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা ২০১৭ প্রণয়ন করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি নিজ জামাতাকে নিয়োগ দেন; যদিও তার জামাতা পরীক্ষায় ৬৭তম হয়েছিলেন।

২০১৭ সালের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় বিজ্ঞান অনুষদ, জীব ও ভূবিজ্ঞান অনুষদ, কৃষি অনুষদ এবং প্রকৌশল অনুষদে আবেদনের ন্যূনতম সিজিপিএ অর্থাৎ সিজিপিএ ৩.৫ ঠিক রেখে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ, আইন অনুষদ, কলা অনুষদ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ও চারুকলা অনুষদের আবেদনের যোগ্যতা সিজিপিএ ৩.০০ করা হয়। যা নিয়ে চরম বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত এই নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তনের জন্য আগামী সপ্তাহ থেকেই কাজ শুরু করতে যাচ্ছে নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন কমিটি।

এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান উল ইসলাম বলেন, ‘নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের একটা গাইডলাইন এবং রাবির শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা-২০১৫ রয়েছে। তাই নতুন নিয়োগ নীতিমালার কাজ শেষ করতে বেশি সময় লাগার কথা নয়।’

জানা যায়, শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তনের পর কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ নীতিমালাও পরিবর্তন করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সব ধরনের নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তনের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে না।

এ প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে যুগোপযোগী ও দক্ষ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সব নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

১০ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক গোলাম কবির, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ, হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সায়েদুজ্জামান, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু নাসের মোহাম্মদ ওয়াহিদ এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক মো. মশিহুর রহমান।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here