শীতের এই সময়টাতে বাচ্চার জন্য জরুরি ভিটামিন

0
143
শীতের এই সময়টাতে বাচ্চার জন্য জরুরি ভিটামিন

শীতের এই সময়টাতে বাচ্চার জন্য জরুরি ভিটামিন। শীতের এই সময়টাতে বাচ্চাদের অনেক ধরনের রোগব্যাধি দেখা দেয়। অথচ এমন অনেক খাবার আছে, যা বাচ্চাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শীতের এই সময়টাতে যদি দেখেন আপনার বাচ্চার গায়ে জ্বর, চুলকানি হচ্ছে বা মাঝে মধ্যেই সর্দি বা পেটে ব্যথা, তাহলে একটু ভালো করে ওর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার দিকে নজর দিন।

এ ধরনের রোগ যদি বাচ্চার দেহে লোহা, ভিটামিন-এ ও সি-এর পরিমাণ কম থাকার জন্য হয়। বাচ্চার শরীর দুর্বল করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। আর বাচ্চা ঋতু পরিবর্তনের সময়েও অসুস্থ হয়ে পড়ে।

ভিটামিন-এ : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখার জন্য শরীরে ভিটামিন-এ-এর প্রয়োজন হয়। এর অভাবে বাচ্চাদের প্রাথমিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষয় হয়। এখান থেকেই সংক্রমণ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বাচ্চাদের খাবারে ঠিকমাত্রায় ভিটামিন-এ আছে কি না খেয়াল রাখুন।

ভিটামিন-বি : ভিটামিন-বি-এর প্রয়োজন হয় সাদা ব্লাড কোষের, শরীরের যত্নের জন্য। বিশেষ করে ভিটামিন-বি১২, বি৯ ও বি৬-এর খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে শরীরে লিম্ফোসাইটের মাত্রা ঠিক রাখার জন্য। এই ভিটামিনগুলো শরীরে শক্তিশালী বানায় এবং সংক্রমণ থেকে শিশুদের বাঁচায়।

ভিটামিন-বি৬ : ভিটামিন-বি৬ শরীরের প্রায় দুশোর ওপর রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় এই ভিটামিনটি ব্যবহার দেখা যায়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় খুব কাজে লাগে। কলা ও ছোলায় এটি বেশি পাওয়া যায়।

ভিটামিন-সি : ভিটামিন-সি-এর অভাবে বাচ্চাদের শরীর অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। টি-কোষ ও ফ্যাগোসাইট হলো রোগ প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় কোষ। যথেচ্ছ পরিমাণে ভিটামিন-সি নিলে এই কোষগুলোর সৃষ্টি বৃদ্ধি পায়, যা খুবই উপকারী। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার লড়াইয়েও ভিটামিন-সি খুব দরকার।

ভিটামিন-ই : ভিটামিন-ই বাচ্চাদের শরীরের সংক্রমণ রোধে এই ভিটামিনের মধ্যে উপস্থিত অ্যান্টি অক্সিডেন্টের প্রয়োজন খুব। সূর্যমুখী ফুলের বীজ ও বাদামে যথেচ্ছ মাত্রায় পাওয়া যায়।

লোহা : লাল রক্তের কোষগুলোর জন্য লোহার প্রয়োজন হয়। ব্যাকটেরিয়া দূর করতে নিউট্রিফিলসের দরকার। লোহার অভাবে শরীরে টি-কোষের সংখ্যা কম হতে পারে। সব মিলিয়ে বলা যেতে পারে, লোহার অভাবে শরীরের সার্বিক রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে যায়।

দস্তা : দস্তা, শরীর ঠিক রাখতে ও রোগ প্রতিরোধে (নিউট্রিফিলস ও মারণ কোষ) সাহায্য করতে খুব কার্যকর। দস্তার অভাবে শরীর অ্যান্টিবডি তৈরির মাত্রা কমিয়ে দেয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ।

সেলেনিয়াম : সেলেনিয়াম আরেক আবশ্যক পুষ্টিদাতা উপাদান। যার খুব দরকার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে। এটার উপস্থিতি বেশি মাত্রায় পাওয়া যায় বার্লি, বাদাম ও রসুনে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here