ব্ল্যাক ফাঙ্গাস এ আক্রান্ত নারীর জন্য ওষুধ পাচ্ছেন না স্বজনরা

0
195
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত নারীর জন্য ওষুধ পাচ্ছেন না স্বজনরা

চট্টগ্রামে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা মিউকরমাইকোসিসে (কালো ছত্রাক) আক্রান্ত নারীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা।

বুধবার ৫০ বছর বয়সী এক নারীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) আক্রান্ত নারীর ছেলে বেলাল হোসাইন বলেন, মায়ের জন্য চিকিৎসকরা যে ওষুধ লিখেছেন তা পাওয়া যাচ্ছে না। ওষুধ না পেলে মাকে বাঁচাতে পারব না। করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৩ জুলাই বাবা মারা গেছেন।

তিনি বলেন, মাকে অ্যামফোটেরিসিন-বি নামক একটি ইনজেকশন সোমবার থেকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন চেষ্টা করেও কোথাও ওষুধটি পেলাম না। ওষুধটি পাওয়ার কোনো সোর্সও পাচ্ছি না।

মায়ের ইনফেকশন দিন দিন বাড়ছে উল্লেখ করে চিকিৎসকদের বরাতে বেলাল হোসাইন বলেন, ইনফেকশন যদি ব্রেইনে চলে যায় তাহলে ওনাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। ইনফেকশন ব্রেইনে যাওয়ার মতো অবস্থায় আছে। এখন যদি মাকে ওষুধটা দিতে পারতাম তাহলে ইনফেকশন বন্ধ হতো। ওষুধটা না পেলে আর কোনো চিকিৎসা নেই। যদি কেউ ওষুধটি দিয়ে হেল্প করতে পারেন, তাহলে মাকে বাঁচাতে পারতাম। যত টাকা লাগে ওষুধটি কিনে নেব।

বেলাল বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাদের কাছেও ওষুধটি নেই। চিকিৎসকরা বলেছেন তার মায়ের নাক, মুখ ও চোখে একটি অস্ত্রোপচার হবে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবির বলেন, ৫০ বছরের বেশি বয়সের এ রোগী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরে বুধবার আমরা নিশ্চিত হই তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত।

তিনি বলেন, আমাদের চিকিৎসকদের অধীনে চিকিৎসা চলছে। তার চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ওই রোগীর বাড়ি পটিয়া উপজেলায়। চলতি মাসের ৩ তারিখে করোনায় আক্রান্ত হন পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই নারী। তবে ১৫ জুলাই তার করোনা নেগেটিভ আসে। এরপরও তার শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। পরে চারদিন আগে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আগে থেকে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here