২য় স্ত্রীকে বিয়ে করার ব্যাখ্যা দিলেন মামুনুল হক

0
298
২য় স্ত্রীকে বিয়ে করার ব্যাখ্যা দিলেন মামুনুল হক

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়েল রিসোর্টে স্ত্রীসহ অবরুদ্ধ হয়েছিলেন হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মাদ মামুনুল হক। এবার ২য় স্ত্রীকে বিয়ে করার ব্যাখ্যা দিলেন মামুনুল হক।

মামুনুল হকের ভাগ্নে জানিয়েছেন, এ বিয়ে কোনো লুকোচুরির বিষয় নয়। এটি পারিবারিকভাবে হয়েছে।

এবার মামুনুল হক নিজেই জানালেন তিনি কেন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন এবং কীভাবে এ বিয়ে সংঘটিত হয়।

এ নিয়ে রোববার ফেসবুকে বিস্তর স্ট্যাটাস দিয়েছেন মামুনুল।

দেশবরেণ্য এই আলেমের দাবি, সহকর্মী হাফেজ শহীদুল ইসলামের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে বিয়ে করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন।

এর ব্যাখ্যায় ফেসবুকে মামুনুল হক লিখেছেন, হাফেজ শহীদুল ইসলাম তার এতোটাই ঘনিষ্ঠ যে, দুজনের সম্পর্কের গভীরতা পারিবারিক পরিধি পর্যন্ত।পরিবারসহ একে অপরের বাসায় তাদের যাতায়াত দীর্ঘদিনের। সেই সূত্রে হাফেজ শহীদুলের পারিবারিক অভিভাবকও তিনি। সেই পরিবারের অনেক সমস্যার সমাধান তার হাত ধরেই হয়। তার থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ নেয় ওই পরিবারের সদস্যরা।

স্বাভাবিকভাবেই স্ত্রীর সঙ্গে সাংসারিক মনমালিন্যের বিষয়ের সমাধান খুঁজতে মামুনুল হকের দ্বারস্থ হন হাফেজ শহীদুল।

তাদের সংসার টিকিয়ে রাখতে অনেক চেষ্টা করেন মামুনুল হক। কিন্তু ব্যর্থ হয়। শেষপর্যন্ত ডিভোর্সে গড়ায় সেই সম্পর্ক।

মামুনুল হক জানান, ছাড়াছাড়ির পর দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন হাফেজ শহীদুল ইসলাম। এখন তার সুখের দাম্পত্যজীবন চলছে। সেই ঘরে সন্তানও জন্ম নিয়েছে। কিন্তু বিচ্ছেদের পর অভিভাবকহীন হয়ে পড়েন শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েন। এমনকি তার জীবিকা নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময়ে ওই নারীর পাশে এসে দাঁড়ান মামুনুল হক।অভিভাবকত্বের জায়গা থেকে অসহায় নারীর অর্থনৈতিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মামুনুল হক জানান, এতে তার সঙ্গে নিয়মিত যোগযোগ হতে থাকে শহীদুলের সাবেক স্ত্রী। যা ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে ওই নারীর অভিভাবক হওয়ার মতো আর কাউকে পাশে পাওয়া যাচ্ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে মামুনুল হক সিদ্ধান্ত নেন, বেগানা হিসেবে রেখে একজন নারীর অভিভাবকত্ব করবেন না তিনি। এর চেয়ে উত্তম হলো – ইসলামি শরিয়তের আলোকে বৈধ একটা সম্পর্ক তৈরি করে নেওয়া।

বিষয়টি নিয়ে ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে কথা বলেন মামুনুল হক। সবার সম্মতি ও পরামর্শক্রমে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কালেমা পড়ে ওই নারীর সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন মামুনুল।

হেফাজতের এ জনপ্রিয় নেতা বলেন, আমি যা বললাম এটি আল্লাহর নামের হাজার বার শপথ করে বলতে পারব। বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য কুল্লামার শপথও করতে পারি।

সূত্র t.ly/ls20 এই লিংকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here