মিজানুর রহমান আজহারী জন্ম, বয়স, স্ত্রী, পরিবার এবং ছবি

2
2952
মিজানুর রহমান আজহারী জন্ম, বয়স, স্ত্রী, পরিবার এবং ছবি

মিজানুর রহমান আজহারী (২৬ জানুয়ারি ১৯৯০) একজন বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ, আন্তর্জাতিক ইসলামি বক্তা ও সমাজ সংস্কারক। ঢাকা জেলার ডেমরায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষকে ইসলামের প্রতি দাওয়াত দেন। বাংলাদেশে তরুণদের জন্য আকর্ষণীয় ইসলামী আলোচনা, গতানুগতিক ধারার বাইরে বক্তব্যের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় এবং একইসাথে সমালোচিত। বিভিন্ন বক্তব্যে তিনি নিজেকে মধ্যমপন্থী ইসলামী আলোচক বলে দাবি করেন।

মিজানুর রহমান আজহারী
Mizanur Rahman Azhari
মিজানুর রহমান আজহারী
ব্যক্তিগত
জন্ম ২৬ জানুয়ারি ১৯৯০ (বয়স ৩০)

ডেমরা, ঢাকা
ধর্ম ইসলাম
জাতীয়তা বাংলাদেশি
সন্তান ২ জন
জাতিসত্তা বাঙালি
যুগ আধুনিক
আখ্যা সুন্নি
ব্যবহারশাস্ত্র হানাফি
প্রধান আগ্রহ তাফসির, হাদীস, ফিকহ
উল্লেখযোগ্য কাজ তাফসির মাহফিল
যেখানের শিক্ষার্থী
  • আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়
  • দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা

প্রাথমিক জীবন


মিজানুর রহমান আজহারী ২৬শে জানুয়ারি ১৯৯০ সালে ঢাকা জেলার ডেমরা থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরের পরমতলা গ্রামে। মিজানুর রহমান আজহারি ঢাকাতে বেড়ে ওঠেন। তাঁর পিতা একজন মাদ্রাসা শিক্ষক ও মাতা গৃহিণী। ছোট বেলা থেকে তিনি মাদরাসায় পড়াশোনা করেন। পরে তিনি আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি পান। মিজানুর রহমান তার নাম। তবে মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার কারণে তার নামের সাথে ‘আজহারী’ উপাধি যুক্ত হয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবন


মিজানুর রহমান ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। তার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

শিক্ষাজীবন


আজহারী দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা থেকে যথাক্রমে ২০০৪ সালে দাখিল ও ২০০৬ সালে আলিম পাশ করেন। তিনি উভয় পরীক্ষাতেই বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে মেধাতালিকায় শীর্ষ স্থান অধিকার করেন। ২০০৭ সালে ইসলামি ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত মিশরীয় সরকারের স্কলারশিপ পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে তিনি মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে তাফসির ও কুরআনভিত্তিক বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন।

সেখান থেকে গ্র‍্যাজুয়েশন শেষ করে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার এমফিলের গবেষণার বিষয় ছিল ‘হিউম্যান এম্ব্রায়োলজি ইন দ্য হোলি কুরআন’ (পবিত্র কুরআনে মানব ভ্রূণবিদ্যা)। তারপর একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন। তিনি ‘হিউম্যান বিহ্যাভিয়ারেল ক্যারেক্টারইসটিক্স ইন দ্য হোলি কুরআন অ্যান্ড অ্যানালিটিক্যাল স্টাডি’ (পবিত্র কুরআন ও বিশ্লেষণী গবেষণায় মানব আচরণগত বৈশিষ্ট্য)-এর ওপর পিএইচডি গবেষণা করছেন।

কর্মজীবন


আজহারী ২০১০ সালে ইসলামি গজল ও কিরাত দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি এটিএন বাংলা টিভির একটি ইসলামি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে তিনি ওয়াজ-মাহফিল নিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। বৈশাখী টেলিভিশনে ‘ইসলাম ও সুন্দর জীবন’ শিরোনামের একটি অনুষ্ঠান করেছেন।

জনপ্রিয়তা


ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলেও নিজেকে সমসাময়িকভাবে উপস্থাপন করা ও কুরআন-হাদিস বিষয়ক সহজ-সাবলীল ও গবেষণাধর্মী আলোচনার কারণে অল্প সময়ে তিনি বাংলাদেশের মুসলিম বিশেষত মুসলিম তরুণ সম্প্রদায়ের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার মাহফিলে প্রায়শই তার মাধ্যমে বিভিন্ন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। তার তাফসির মাহফিলে সাধারণ মুসলিম ও তরুণদের ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়।

সমালোচনা


২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ১২ জন ভারতীয় হিন্দু অবৈধ ভিসায় বাংলাদেশে এসে তার হাতে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হলে তিনি গণমাধ্যমে সমালোচিত হন। দেশবিরোধী বক্তব্যের অভিযোগ এনে বিভিন্ন স্থানে তার মাহফিল এক ও একাধিকবার নিষিদ্ধ হয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে তাকে দেশবিরোধী মন্তব্য প্রদানকারী বলে এক সাংসদ কর্তৃক দাবি করা হয়। একই সময়ে ‘‘ঘরে ঘরে সাঈদীর জন্ম হোক’’ বলে মন্তব্য করায় বাংলাদেশের বর্তমান ধর্মমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তাকে “বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর প্রোডাক্ট” বলে অভিহিত করে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলে মন্তব্য করেন।

সম্মাননা


  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আল-আজহার বৃত্তি
    • প্রথম স্থান, ২০০৭
  • আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি
    • পূর্ণ স্নাতক বৃত্তি, ২০০৮
  1. ২০০৬ সালে বাংলাদেশে স্কলারশিপ অফ ডিস্টিনেশন, দেশের শীর্ষ মেধা তালিকায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বৃত্তি পেয়েছেন।
  2. ২০০৮-২০১২ পূর্ণ স্নাতক বৃত্তি, আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
  3. ২০০৭ সালে ধর্ম মন্ত্রকের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে আল আজহার বৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম পদ অর্জন করেন।
  4. ২০০৯ সালে সুইডেন-বাংলাদেশ ট্রাস্ট ফান্ড থেকে অনুদান। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয়।

আপনি কি জানতেন…


  1. মিজানুর রহমান আজহারী টিভিতে ইসলামিক গানে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন।
  2. তিনি একজন ভাল ইসলামিক গায়কও।

 

মিজানুর রহমান আজহারী ফটো


 

 

মিজানুর রহমান আজহারী ফটো
মিজানুর রহমান আজহারী ফটো

আরো জানুন


কুমিল্লার মুরাদনগর পরমতলা গ্রামের কৃতি সন্তান মিজানুর রহমান আজহারী ২০০৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০০৬ সালে আলিম পরীক্ষায় গােল্ডেন জিপিএ-৫ সহ বাংলাদেশ মাদরাসা। শিক্ষাবাের্ডের টপ মেরিট লিস্টে জায়গা করে নেন।

২০০৭ সালে ইসলামীক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়ােজিত মিশর সরকারের শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষায় তিনি হাজার হাজার কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মধ্যে বরাবরের মত ১ম স্থান। অধিকার করে মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডার গ্রাজুয়েট করার জন্য মিশরে গমন করেন।

সেখান থেকে তিনি Department of Tafseer & Quranic Science হতে ২০১২ সালে ৮০% সিজিপিএ নিয়ে অনার্স উত্তীর্ণ হন।

মিশরে ৫ বছর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করার পর তিনি গার্ডেন। অফ নলেজ খ্যাত মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে পােস্টগ্রাজুয়েশন ও এমফিল এবং পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নেন।

২০১৩ সালে তিনি মালয়েশিয়া গমন করেন। উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের Department of Quran and Sunnah Studies থেকে তিনি ২০১৬ সালের মধ্যে পােস্টগ্রাজুয়েশন এবং এমফিল শেষ করেন। মাস্টার্সে তার সিজিপিএ ছিল ৪ এর মধ্যে ৩.৮২।

এম ফিলে তার গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল “Human Embryology in the Holy Quran: A comparative Analysis between Tantawi Jawhari & Zagloul Najjar’s interpretation. 01997 fofa 903 বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ক্যান্ডিডেট হিসেবে মনােনিত হন। “Human Behavioural Characteristics in the Holy Quran: An Analytical Study” বিষয়ের উপর তিনি বর্তমানে পিএইচডি গবেষণা করছেন। উল্লেখ্য তার এমফিল এবং পিএইচডির গবেষণার মাধ্যম ছিল ইংরেজি।

এছাড়াও IELTS পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৯ এর মধ্যে ৭.৫ স্কোর এবং স্পিকিং সেকশনেও ৭.৫ স্কোর অর্জন করেন।

কে এই মিজানুর রহমান আজহারী?

তরুণদের আইডল, সুশিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ বক্তা, ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। তিনি অল্প কয়েকদিনে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে যে ক’জন ইসলামি চিন্তাবিদ রয়েছেন, তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

জন্ম: মিজানুর রহমান ১৯৯০ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার ডেমরায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লার মুরাদনগরের পরমতলা গ্রামে। তার বাবা একজন মাদরাসার শিক্ষক। তার পরিবারে মা-বাবা ও এক ভাই রয়েছে।

শিক্ষাজীবন: মিজানুর রহমান ঢাকার ডেমরায় অবস্থিত দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০০৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০০৬ সালে আলিম পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ করেন। ২০০৭ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত মিসর সরকারের শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েট করার জন্য মিসরে যান। সেখান থেকে ডিপার্টমেন্ট অব তাফসির অ্যান্ড কুরআনিক সায়েন্স থেকে ২০১২ সালে শতকরা ৮০ ভাগ সিজিপিএ নিয়ে অনার্স উত্তীর্ণ হন। মিসরে পাঁচ বছর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করার পর ২০১৩ সালে মালয়েশিয়া যান। সেখানে গার্ডেন অব নলেজ খ্যাত ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্ট-গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব কোরআন অ্যান্ড সুন্নাহ স্টাডিজ থেকে ২০১৬ সালে পোস্ট-গ্রাজুয়েশন শেষ করেন। মাস্টার্সে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৮২ আউট অব ফোর।

গবেষণা: পোস্ট-গ্রাজুয়েশন শেষ করে মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে এমফিল এবং পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১৬ সালের মধ্যে এমফিলও শেষ করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল ‘হিউম্যান এম্ব্রায়োলজি ইন দ্য হোলি কুরআন’। তারপর একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন। ‘হিউম্যান বিহ্যাভিয়ারেল ক্যারেক্টারইসটিক্স ইন দ্য হোলি কুরআন অ্যান্ড অ্যানালিটিক্যাল স্টাডি’র ওপর পিএইচডি গবেষণা করছেন। তার এমফিল এবং পিএইচডির মাধ্যম ছিল ইংরেজি। এছাড়া আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ওভারঅল ৭.৫ আউট অব ৯ ব্যান্ড স্কোর এবং স্পিকিং সেকশনেও ৭.৫ ব্যান্ড স্কোর অর্জন করেন।

উপাধি: মিজানুর রহমান তার নাম। তবে মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার কারণে তার নামের সাথে ‘আজহারী’ উপাধি যুক্ত হয়েছে।

দাম্পত্য জীবন: মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

তরুণদের আইডল: ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলেও নিজেকে স্মার্টভাবে উপস্থাপন করা যায়, তা মিজানুর রহমান আজহারীকে দেখলেই বোঝা যায়। তাই এ সময়ের যুবকরা তাকে খুবই পছন্দ করে। তার তাফসির মাহফিলে যুবকদের স্রোত দেখা যায়। তিনিও যুবকদের খুবই পছন্দ করেন। তাফসির মাহফিলে যুবকদের ভালো পথে চলার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয়তা: খুব অল্প সময়ে সুললিত কণ্ঠে কুরআন-হাদিসের সহজ-সাবলীল আলোচনা করে অসংখ্য মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। তার গবেষণাধর্মী আলোচনার কারণে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তিনি বাংলা, আরবি, ইংরেজি ভাষায় খুবই দক্ষ। যে কারণে বিভিন্ন দেশের মানুষ তার আলোচনা বুঝতে পারে। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন।

উপার্জন: সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মধ্যে তার একটি ফেসবুক আইডি ও একটি অফিসিয়াল ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ রয়েছে। ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল আছে। মাসিক আয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তাফসির মাহফিলে তিনি চুক্তিবদ্ধ হন না। হাদিয়া হিসেবে যা পান তা-ই নিয়ে থাকেন। বছরের বেশিরভাগ সময় মালয়েশিয়ায় থাকেন। সেখানে পিএইচডি করছেন। সময় পেলে তাফসির মাহফিল করেন। এছাড়া বৈশাখী টেলিভিশনে ‘ইসলাম ও সুন্দর জীবন’ শিরোনামের একটি অনুষ্ঠান করেছেন।

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here