করাত কল বিধিমালা ২০১২

0
72
করাত কল বিধিমালা ২০১২
করাত কল বিধিমালা ২০১২

করাত কল বিধিমালা ২০১২। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় শাখা-১ প্রজ্ঞাপন  তারিখ, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯ বঙ্গাব্দ/২০ মে ২০১২ খ্রিস্টাব্দ। এস, আর, ও নং ১৩০-আইন/১২ Forest Act, 1927 (XVI of 1927)এর section 41 এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার নিম্নরূপ বিধিমালা প্রণয়ন করিল, যথাঃ⎯

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম।⎯এই বিধিমালা করাত-কল (লাইসেন্স) বিধিমালা, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।

২। সংজ্ঞা।⎯বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই বিধিমালায়⎯

  • (১) “আইন” অর্থ  Forest Act, 1927 (XVI of 1927); 
  • (২) “দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা” অর্থ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা;
  • (৩) “ ফরম” অর্থ এই বিধিমালার সহিত সংযোজিত কোন ফরম;
  • (৪) “লাইসেন্স” অর্থ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক বিধি ৩ এর অধীন করাত-কল স্থাপন ও পরিচালনার নিমিত্ত ফরম খ অনুসারে ইস্যু বা নবায়নকৃত কোন লাইসেন্স।

৩। করাত-কল স্থাপন ও পরিচালনার জন্য লাইসেন্স।⎯

(১) কোন ব্যক্তি লাইসেন্স ব্যতীত কোন করাত-কল স্থাপন বা পরিচালনা করিতে পারিবেন না। 

(২) উপ-বিধি (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন ব্যক্তি ফরম ‘ক’ অনুসারে, বিধি ৪ এ উল্লিখিত ফি প্রদান ও উহার জমা রশিদ সংযুক্ত করিয়া, সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রসহ করাত-কল স্থাপন ও পরিচালনার জন্য লাইসেন্স প্রাপ্তির লক্ষ্যে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট, আবেদনপত্র দাখিল করিতে পারিবেন।

(৩) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন প্রাপ্তির ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে ফরম ‘ক’ এ উল্লিখিত তথ্যাদির সঠিকতা যাচাইপূর্বক অন্যূন ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ‘ফরেস্টার’ বা তদূর্ধ্ব কোন কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করিবেন।

(৪) উপ-বিধি (৩) এর অধীন প্রাপ্ত তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক লাইসেন্স প্রদানের বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য নিম্নরূপ সদস্য সমন্বয়ে প্রতিটি জেলার জন্য একটি কমিটি থাকিবে, যথাঃ⎯

  • (ক) জেলা প্রশাসক, যিনি উহার আহবায়কও হইবেন;
  • (খ) সংশ্লিষ্ট উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা;
  • (গ) জেলা চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতি কর্তৃক মনোনীত উহার একজন প্রতিনিধি;
  • (ঘ) পরিবেশ অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি (যদি কোন);
  • (ঙ) বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সহকারী বন সংরক্ষক, যিনি উহার সদস্য সচিবও হইবেন।

(৫) উপ-বিধি (৪) এর অধীন গঠিত কমিটি, তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র প্রাপ্তির পর অন্যূন ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে, উহার সুপারিশ প্রণয়নপূর্বক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিবে এবং তিনি যথাশ্রীঘ্র সম্ভব, সুপারিশের ভিত্তিতে উহার উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণকরতঃ ফরম ‘খ’ অনুসারে লাইসেন্স ইস্যু করিবেন এবং, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বিধি ৬ এর উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদনের ভিত্তিতে ইস্যুকৃত লাইসেন্স নবায়ন করিবেন।

(৬) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লাইসেন্স ইস্যু করা বা না করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে অবহিত করিবেন।

৪। লাইসেন্স ফি।⎯করাত-কল স্থাপন বা পরিচালনার জন্য লাইসেন্স ফি বাবদ ২০০০ (দুই হাজার) টাকা “১/৪৫৩১/০০০০/২৬৮১ (বিবিধ রাজস্ব ও প্রাপ্তি)” খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা যে কোন সরকারি ট্রেজারীতে জমাপূর্বক উহার ট্রেজারী চালান আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত না করিলে আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হইবে না।

৫। লাইসেন্সের মেয়াদ।⎯লাইসেন্সের মেয়াদ হইবে ইস্যুর তারিখ হইতে ১ (এক) বৎসর।

৬। লাইসেন্স নবায়ন।⎯

  1. বিধি ৫ এ উল্লিখিত তারিখে লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে, লাইসেন্স ফি এর শতকরা ২৫ (পঁচিশ) ভাগ নবায়ন ফি’সহ, লাইসেন্স নবায়নের জন্য ফরম ‘গ’ তে আবেদন করিতে হইবে।
  2. উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে লাইসেন্স নবায়ন করিতে ব্যর্থ হইলে, মেয়াদ শেষ হইবার অন্যূন ৩ (তিন) মাসের মধ্যে, লাইসেন্স ফি এর শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ নবায়ন ফি’সহ, লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করা যাইবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-বিধিতে উল্লিখিত সময়সীমা উত্তীর্ণ হইবার পর নবায়নের জন্য কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হইবে না।
  3. বিধি ৪ এ উল্লিখিত লাইসেন্স ফি এর “শতকরা ২৫%” ভাগ অথবা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, শতকরা ৫০% ভাগ “১/৪৫৩১/০০০০/২৬৮১ (বিবিধ রাজস্ব ও প্রাপ্তি)” খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা যে কোন সরকারি ট্রেজারীতে জমাপূর্বক উহার ট্রেজারী চালান আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত না করিলে নবায়নের আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হইবে না।
  4. নবায়নের জন্য আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ‘ফরেস্টার’ বা তদূর্ধ্ব কোন কর্মকর্তা দ্বারা সরেজমিনে তদন্ত করিয়া লাইসেন্স নবায়ন করিবেন।
  5. উপ-বিধি (১) বা (২) এর বিধান অনুসারে প্রাপ্ত আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত করাতকল মালিক তাহার করাত কল চালাইয়া যাইতে পারিবেন। 

৭। করাত কল স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে পালনীয় শর্তাদি, ইত্যাদি।⎯(১) নিম্নবর্ণিত স্থানে করাত-কল স্থাপন বা পরিচালনা করা যাইবে না, যথাঃ⎯

(ক) সংরক্ষিত, রক্ষিত, অর্পিত বা অন্য যে কোন ধরনের সরকারি বন ভূমির সীমানা হইতে ন্যূনতম ১০(দশ) কিলোমিটারের মধ্যে, বা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্থল সীমানা হইতে ন্যূনতম ৫ (পাঁচ) কিলোমিটারের মধ্যে, পৌর এলাকা ব্যতীত; 

(খ) কোন সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান এবং জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিঘ্ন সৃষ্টি করে এইরূপ কোন স্থানের নূন্যতম ২০০ (দুইশত) মিটার এর মধ্যেঃ তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধি কার্যকর হইবার তারিখে এই বিধিতে উল্লিখিত কোন স্থানে কোন করাত-কল স্থাপিত হইয়া থাকিলে বা স্থাপিত করাত-কল পরিচালনাধীন থাকিলে উহা কার্যকর হওয়ার তারিখ হইতে অন্যূন ৯০(নব্বই) দিনের মধ্যে করাত-কল মালিক উক্ত করাত-কল বন্ধ করিয়া দিবেন, অন্যথায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উহা বন্ধ করিবার জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(২) সকাল ৬.০০ ঘটিকা হইতে সন্ধ্যা ৬.০০ ঘটিকা সময়সীমার পূর্বে বা পরে কোন করাতকল পরিচালনা করা যাইবে না।

(৩) কোন ব্যক্তি উপ-বিধি (১) এবং (২) এর বিধান লংঘন করিলে উহার ক্ষেত্রে বিধি ১২ এর বিধান প্রযোজ্য হইবে।

৮। লাইসেন্স বাতিল।⎯(১) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিম্নবর্ণিত কারণে কোন করাত-কলের লাইসেন্স বাতিল করিতে পারিবেন, যথাঃ⎯

  • (ক) বিধি ৭ এবং লাইসেন্সে উল্লিখিত শর্তাবলী লংঘন করিলে; বা
  • (খ) কোন করাত-কল মালিক বা উহা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি আইন বা বিধিমালার অধীন আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হইলে।

(২) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি বিধি ৬ এ নির্ধারিত সময়ে নবায়নের জন্য আবেদন করিতে ব্যর্থ হইলে তদবরাবরে ইস্যুকৃত লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।

(৩) উপ-বিধি (১) অনুসারে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক লাইসেন্স বাতিল করা হইলে বা উপ-বিধি (২) অনুসারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাইসেন্স বাতিল হইলে কোন করাত-কল মালিক বা ব্যক্তি উহার পরিচালনা অব্যাহত রাখিলে, তাহার ক্ষেত্রে বিধি ১২ এর বিধান প্রযোজ্য হইবে।

৯। কাঠ ও অন্যান্য বনজদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় এবং চিরাই এর হিসাব সংরক্ষণ।⎯প্রত্যেক করাতকল মালিক তাহার করাত-কলে ক্রয়কৃত ও বিক্রিত সকল কাঠ ও অন্যান্য বনজদ্রব্যের উৎসের উল্লেখসহ ্ক্রয়-বিক্রয় এবং চিরাই এর হিসাব ফরম “ঘ” তে সংরক্ষণ করিবেন এবং নিকটস্থ বন বিভাগীয় দপ্তরে মাসিক ভিত্তিতে দাখিল করিবেন।

১০। পরিদর্শন

  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা ফরেস্টার বা তদূর্ধ্ব কোন বন কর্মকর্তা বা সাব-ইন্সপেক্টর বা তদূর্ধ্ব কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কোন প্রকার অগ্রিম নোটিশ প্রদান ব্যতীত যে কোন সময় যে কোন করাত-কল পরিদর্শন করিতে পারিবেন।
  2. উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত কোন কর্মকর্তা পরিদর্শনকালীন সময়ে করাত-কলের কাঠ ও অন্যান্য বনজদ্রব্যের ক্রয় বিক্রয় এবং চিরাই এর হিসাব দেখিতে চাইলে করাত-কল মালিক বা উহা পরিচালনাকারী ব্যক্তি উক্ত হিসাব প্রদর্শন করিতে বাধ্য থাকিবেন। 
  3. উপ-বিধি (১) এর অধীন পরিদর্শনকালে পরিদর্শনকারী কর্মকর্তার নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে করাত-কলে অবৈধ কাঠ বা অন্য কোন বনজদ্রব্য রহিয়াছে বা করাত-কল মালিক কর্তৃক বিধি ৭ এবং ৯ লংঘিত হইয়াছে তাহা হইলে তিনি বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে করাত-কলে মজুতকৃত অবৈধ কাঠ বা বনজদ্রব্য আটক করিতে পারিবেন এবং আটককৃত কাঠ ও বনজ দ্রব্যাদি নিকটস্থ বন বিভাগীয় দপ্তরে জমা প্রদানের বিষয়ে আইনের Chaptar IX এর সংশ্লিষ্ট বিধানাবলী অনুযায়ী প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন।

১১। অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ।⎯দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তাহার মনোনীত প্রতিনিধির লিখিত অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই বিধিমালার অধীন কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করিবে না। 

১২। দণ্ড।⎯কোন ব্যক্তি এই বিধিমালার কোন বিধান লংঘন করিলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) মাস বা অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড এবং উহার অতিরিক্ত ন্যূনতম ২ (দুই) হাজার টাকা হইতে সর্বোচ্চ ১০ (দশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

১৩। আপীল, ইত্যাদি

  1. বিধি ৩ অনুযায়ী আবেদন জানাইবার অনধিক ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে লাইসেন্স পাওয়া না গেলে আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট বন সংরক্ষক এর নিকট প্রতিকার চাহিয়া পরবর্তী ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে আপীল করিতে পারিবেন।
  2. উপ-বিধি (১) এর অধীন আপীল আবেদন প্রাপ্তির পর বন সংরক্ষক বিষয়টি তদন্তপূর্বক অনধিক ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং সার্বিক বিষয় সম্পর্কে উহার সিদ্ধান্তসহ আবেদনকারীকে অবহিত করিবেন।
  3. বিধি ৭ প্রতিপালনের ক্ষেত্রে কোন আপীল বন সংরক্ষক-কর্তৃক গৃহীত বা নিষ্পত্তিযোগ্য হইবে না।
  4. বিধি ৮ এর উপ-বিধি (১) এর দফা (ক) এর অধীন লাইসেন্স বাতিল করা হইলে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি অনধিক ৯০ (নব্বই দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বন সংরক্ষক এর নিকট আপীল করিতে পারিবেন এবং বন সংরক্ষক অন্যূন ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করিয়া যথাযথ আদেশ প্রদান করিবেন।
  5. উপ-বিধি (২) এবং (৪) এ প্রদত্ত বন সংরক্ষকের আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে। 

১৪। রহিতকরণ ও হেফাজত

  1. এই বিধিমালা জারীর সঙ্গে সঙ্গে এস.আর.ও. নং ২৭০- আইন/৯৮ মূলে ৩০ নভেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে জারীকৃত করাত-কল (লাইসেন্স) বিধিমালা, ১৯৯৮, অতঃপর উক্ত বিধিমালা বলিয়া উল্লিখিত, রহিত করা হইল।
  2. উক্ত বিধিমালা রহিতকরণ সত্ত্বেও উহার অধীন ইস্যুকৃত লাইসেন্স উহার মেয়াদ পর্যন্ত এমনভাবে অব্যাহত থাকিবে যেন এই বিধিমালা প্রণীত ও জারী হয় নাই।
  3. উক্ত বিধিমালার অধীন ইস্যুকৃত লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হইয়া গেলে উহা নবায়নের জন্য এই বিধিমালার অধীন আবেদন করা যাইবে এবং উক্ত আবেদন এই বিধিমালার অধীন নিষ্পত্তিযোগ্য হইবে।
  4. উক্ত বিধিমালার অধীন কোন করাত-কল স্থাপিত হইয়া পরিচালনাধীন থাকিলে, উক্ত বিধিমালার অধীন ইস্যুকৃত লাইসেন্স এর শর্ত লংঘিত না হইলে, উক্ত করাত-কলসমূহের কার্যক্রম এই বিধিমালার অধীন পরিচালিত হইবে।
  5. উক্ত বিধিমালার অধীন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দণ্ডিত হইয়া থাকিলে উহা একই মেয়াদে, উহার আনুষাঙ্গিক আইনী ও বিচারিক কার্যক্রমসহ (যদি কোন), অব্যাহত থাকিবে যেন এই বিধিমালা প্রণীত ও জারী হয় নাই। 

এছাড়াও বিস্তারিত জানতে ও নিচের ফরম গুলো ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করে পিডিএফ ফাইল দেখতে পারেন।

 

করাত কল বিধিমালা ২০১২

করাত কল বিধিমালা ২০১২

করাত কল বিধিমালা ২০১২

করাত কল বিধিমালা ২০১২

করাত কল বিধিমালা ২০১২

করাত কল বিধিমালা ২০১২

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here