দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪

0
52
2014 Bangladeshi general election

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ বাংলাদেশে ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনটি নবম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অধিকাংশ দলই বর্জন করে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্রসহ ১৭টি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এছাড়াও নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় নির্বাচনটি নিয়ে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

৫ জানুয়ারি রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাকী ১৪৭টি আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য ১৫৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হওয়ার ফলে এবারের নির্বাচনে সারা দেশের মোট ৯,১৯,৬৫,৯৭৭ ভোটারের মধ্যে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান ৪,৩৯,৩৮, ৯৩৮ জন।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪


← ২০০৮ ৫ জানুয়ারি ২০১৪ ২০১৮ →

জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের
সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন ১৫১টি আসন

Sheikh Hasina - 2009.jpg Rowshan Ershad SAARC in Dhaka 1986.jpg
নেতা/নেত্রী শেখ হাসিনা রওশন এরশাদ
দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি
নেতা হয়েছেন ১৯৮১ ২০১৩
নেতার আসন গোপালগঞ্জ-৩ ময়মনসিংহ-৪
সর্বশেষ নির্বাচন ২৩০ আসন ২৭ আসন
আসনে জিতেছে ২৩৪ আসন ৩৪ আসন
আসন পরিবর্তন +৪ +৭
জনপ্রিয় ভোট ৩৬,১৭৩,৮৮৩ ৫,১৬৭,৬৯৮
শতকরা ৭৯.১৪ ১১.৩১


প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পূর্বে
শেখ হাসিনা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
প্রধানমন্ত্রী-মনোনীত
শেখ হাসিনা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

 

প্রেক্ষাপট


৩০শে জুন ২০১১ সালে তত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিল পাশ হয়। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তার শরিক জোটগুলো এর পর থেকেই নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারব্যবস্থা পুনরায় চালু করার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। সরকারী দল আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনের ঘোষণা দেন এবং তখনই বিরোধী দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না বলে ঘোষণা দেন।

নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচন পরবর্তী হত্যা


নির্বাচনের দিন সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ১৯ জন। নির্বাচনপূর্ব সহিংসতার দিক থেকেও এবারের নির্বাচন অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত ৪১ দিনে মারা গেছেন ১২৩ জন। ভোটের দিন এতসংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এর আগে দেখা যায়নি।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিসংখ্যান


দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ বাংলাদেশে ৫ই জানুয়ারি ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনটি নবম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অধিকাংশ দলই বর্জন করে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্রসহ ১৭টি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

এছাড়াও নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় নির্বাচনটি নিয়ে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সংখ্যা প্রাপ্ত আসন সংখ্যা সংশ্লিষ্ট আসনসমূহে প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা শতকরা হার
আ. লীগ ২৪৭ ২৩৪ ১,২৩,৫৭,৩৭৪ ৭২.১৪%
জাতীয় পার্টি ৮৬ ৩৪ ১১,৯৯,৭২৭ ৭.০০%
ওয়ার্কার্স পার্টি ১৮ ০৬ ৩,৫৯,৬২০ ২.১০%
জাসদ ২৪ ০৫ ২,০৩,৭৯৯ ১.১৯%
তরিকত ফেডারেশ ০৩ ০২ ১,৭৭,৪৪৯ ১.০৪%
জাতীয় পার্টি (জেপি) ২৮ ০২ ১,২৪,৩৮৯ ০.৭৩%
বিএনএফ ২২ ০১ ১,০৭,৯৯০ ০.৬৩%
ন্যাপ ০৬ ৭,১২০ ০.০৪%
খেলাফত মজলিস ০২ ৫,৭২৫ ০.০৩%
গণফ্রন্ট ০১ ২,৭১৭ ০.০২%
ইসলামী ফ্রন্ট ০১ ২,৫৮৫ ০.০২%
গণতন্ত্রী পার্টি ০১ ২,০৩১ ০.০১%
স্বতন্ত্র ১০৪ ১৬ ২৫,৭৯,৩২৪ ১৫.০৬%

 

একনজরে ১০টি সংসদের ভোটের ফলাফল


প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন দেশে সর্বপ্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ। মোট ১৫টি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। বিরোধীদের মধ্যে জাতীয় লীগ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একজন করে এবং স্বতন্ত্র পাঁচজন প্রার্থী বিজয়ী হন। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান/মোহাম্মদ মনসুর আলী। এ সংসদের মেয়াদ ছিল দুই বছর ছয় মাস।

দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি ২০৭টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। মোট ৩০টি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। অন্য দলগুলো পায় ৭৭টি আসন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ (মালেক) ৩৯টি, জাতীয় লীগ দুটি, আওয়ামী লীগ (মিজান) দুটি, জাসদ আটটি, মুসলিম ও ডেমোক্রেটিক লীগ ২০টি, ন্যাপ একটি, বাংলাদেশ গণফ্রন্ট দুটি, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল একটি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দল একটি ও জাতীয় একতা পার্টি একটি আসন পায়। নির্বাচিত বাকি ১৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন শাহ আজিজুর রহমান। বিরোধীদলীয় নেতা হন আসাদুজ্জামান খান। এ সংসদের মেয়াদ ছিল তিন বছর।

তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ১৯৮৬ সালের ৭ মে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ১৫৩টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। বিএনপি এ নির্বাচন বর্জন করে। অংশগ্রহণ করে মোট ১৩টি রাজনৈতিক দল। জাতীয় পার্টি বাদে অন্য দলগুলো পায় ১১৫ আসন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ৭৬টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) পাঁচটি, ন্যাপ (মোজাফফর) দুটি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি পাঁচটি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) তিনটি, জাসদ (রব) চারটি, জাসদ (সিরাজ) তিনটি, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ১০টি, মুসলিম লীগ চারটি ও ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি আসন পায়। বাকি ৩২ আসনে নির্বাচিত হন স্বতন্ত্র প্রার্থী। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান চৌধুরী। বিরোধীদলীয় নেতা হন শেখ হাসিনা। এ সংসদের মেয়াদ ছিল ১৭ মাস।

চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এ নির্বাচন বর্জন করে। ফলে জাতীয় পার্টি ২৫১টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। নির্বাচনে মোট ছয়টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। ১৯টি আসন পেয়ে সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসেন সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ)। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৫টি, জাসদ (সিরাজ) তিনটি ও ফ্রিডম পার্টি দুটি আসন লাভ করে। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন মওদুদ আহমেদ/কাজী জাফর আহমেদ। বিরোধীদলীয় নেতা হন আ স ম আব্দুর রব। এ সংসদের মেয়াদ ছিল দুই বছর সাত মাস।

পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। অংশ নেওয়া দলের সংখ্যা ছিল ২১। এ নির্বাচনে বিএনপি ১৪০টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ ৮৮টি, জাতীয় পার্টি ৩৫টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) পাঁচটি, জাসদ (সিরাজ) একটি, ইসলামী ঐক্যজোট একটি, জামায়াতে ইসলামী ১৮টি, সিপিবি পাঁচটি, ওয়ার্কার্স পার্টি একটি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) একটি, গণতন্ত্রী পার্টি একটি ও ন্যাপ (মোজাফফর) একটি আসন পায়। স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনটি আসনে জয়লাভ করেন। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন খালেদা জিয়া। বিরোধীদলীয় নেতা হন শেখ হাসিনা। সংসদের মেয়াদ ছিল চার বছর আট মাস।

ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় সরকারের অধীনে হওয়া এ নির্বাচন বর্জন করে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল। বিএনপি ২৭৮টি আসন পেয়ে একতরফা জয়লাভ করে। মোট তিনটি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। অন্য দুটি দলের মধ্যে ফ্রিডম পার্টি একটি আসন পায়। বাকি ১০ আসনে জয়লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এ ছাড়া ১০টি আসনে ফলাফল অসমাপ্ত ছিল এবং একটি আসনের নির্বাচন আদালতের আদেশে স্থগিত করা হয়। সংসদ নেতা হন খালেদা জিয়া। এ সংসদের মেয়াদ ছিল মাত্র ১১ দিন।

সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৪৬টি আসনে জয়লাভ করে। এটি ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। মোট আটটি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। অন্য দলগুলোর মধ্যে বিএনপি ১১৬টি, জাতীয় পার্টি ৩২টি, জামায়াতে ইসলামী তিনটি, ইসলামী ঐক্যজোট একটি ও জাসদ একটি আসন পায়। স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেন একটি আসনে। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। বিরোধীদলীয় নেতা হন খালেদা জিয়া। সংসদের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন লতিফুর রহমান। নির্বাচনে বিএনপি ১৯৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে। মোট ১৯টি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। বিএনপি বাদে অন্য দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ ৬২টি, জামায়াতে ইসলামী ১৭টি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ১৪টি, জাতীয় পার্টি (না-ফি) চারটি, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) একটি, ইসলামিক ঐক্যজোট দুটি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ একটি আসন পায়। বাকি ছয় আসনে জয়লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন খালেদা জিয়া। বিরোধীদলীয় নেতা হন শেখ হাসিনা। সংসদের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন আহমদের অধীনে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। মোট ১০টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য দলগুলোর মধ্যে বিএনপি ৩০টি, জাতীয় পার্টি ২৭টি, জাসদ তিনটি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি দুটি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) একটি, জামায়াতে ইসলামী দুটি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) একটি আসন পায়। স্বতন্ত্র প্রার্থী জিতেছেন চার আসনে। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। বিরোধীদলীয় নেতা হন খালেদা জিয়া। সংসদের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে মোট ১৪৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। বিএনপির ও এর নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচন বর্জন করে। ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পায় আওয়ামী লীগ ও এর শরিক দলগুলো। এ নির্বাচনে মোট ১৭টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। ভোট নেওয়া হয় ১৪৭টি আসনে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ৯৬টি, জাতীয় পার্টি ১২টি, ওয়ার্কার্স পার্টি চারটি ও জাসদ দুটি আসন পায়। আর ১৪ আসনে জয়লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। আওয়ামী লীগ মোট ২৩৪টি আসন পায়। দলটি ১৪ জোটের শরিকদের নিয়ে সরকার গঠন করে। শরিকদের মধ্যে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ছয়টি, জাসদ (ইনু) পাঁচটি, জাতীয় পার্টি (জেপি-মঞ্জু), তরীকত ফেডারেশন দুটি আসন পায়। জাতীয় পার্টি পায় ৩৪টি আসন। সংসদ নেতা নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। বিরোধী দলের নেতা হন রওশন এরশাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here